মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা যুবদলের আসন্ন কমিটিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে কমিটি। কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে লবিং -তদবির চালাচ্ছেন নেতারা।
লিয়াজোঁ আর আপসের রাজনীতির বিপরীতে রাজপথের সাহসী নেতা নিপার রেজাকে ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন সাধারণ কর্মীরা।
হাজী নিপার রেজার সুযোগ ছিল বিদেশে আরাম-আয়েশ আর বিলাসবহুল জীবনের নিশ্চয়তা গড়ার। কিন্তু মাটির টান আর দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি সেই হাতছানি উপেক্ষা করে বারবার ফিরে এসেছেন রাজপথে। যখন জুড়ী উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের অস্তিত্ব সংকটে ছিল, যখন দলের অনেক প্রভাবশালী নেতা লিয়াজোঁর রাজনীতিতে গা ভাসিয়েছিলেন, ঠিক তখন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো তৃণমূলের হাল ধরেন তিনি।
ছাত্রদলের রাজনীতি করে ওঠে আসা এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। জুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে ছিলেন অনেক দিন। স্কুল জীবন থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করে কলেজে ও ছিলেন সক্রিয়। দীর্ঘদিন জুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে রাজপথে থেকে দলীয় সকল কর্মসূচীতে নিপার রেজা ছিলেন সক্রিয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মিথ্যা মামলায় জর্জরিত থেকেও থামেন নি দলীয় কর্মকাণ্ডে। একেরপর এক মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর হাজিরা দিতে হয়েছে তাকে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছাড়াও নিপার রেজার পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাবা মরহুম আব্দুল মক্তদীর ছিলেন জায়ফর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তারই ধারাবাহিকতায় বড় ভাই হাজী মাছুম রেজা জায়ফর নগর ইউনিয়নের ২ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং জুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি। ফ্যাসিস্ট আমলে রাজনৈতিক মামলায় জর্জরিত হয়ে জেল খাটতে হয়েছে তাকে। আরেক ভাই হাজী সিপার রেজা ও ছিলেন জুড়ী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। ফ্যাসিস্ট আমলে মামলার রোষানলে পড়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে।
তৃণমূলের একাধিক কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আদর্শের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে জুড়ী উপজেলা যুবদলে নিপার রেজার মতো ত্যাগী নেতার কোনো বিকল্প নেই।
দলকে সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী করতে হলে নিপার রেজার মতো ত্যাগীদের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন।