বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের প্রচারে আন্তর্জাতিক মেলা করবে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি গণতান্ত্রিক দেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের এমন বৈঠক কাম্য নয় আর্সেনালে যাওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা বলছে ভিনিসিয়ুসের এজেন্সি ইয়েনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের বিরল পদক্ষেপ বেনজীরের অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে, সন্দেহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি সদস্য হলেন এমপি শকু মৌলভীবাজারের রাজনগরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরিশাসে খুলছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার! দ্রুত সমঝোতা স্বাক্ষর জাতীয় নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন আবেদ রাজা- কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি

ক্ষমতায় গেলে গুম রোধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি

কেবিসি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে দেশে গুম প্রতিরোধে বিএনপি আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ কথা জানান তিনি।

বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমার দলের পক্ষ থেকে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে দেশে আর কোনো ব্যক্তি যেন গুম না হয়, সেটি নিশ্চিতে আমরা জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন (আইসিপিপিইডি) অনুসারে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করবো ইনশাল্লাহ। মানবতার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অপরাধের ন্যায়বিচার হতেই হবে।

তিনি বলেন, গুম মানবতাবিরোধী অপরাধ, যা মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বাংলাদেশে নজিরবিহীন গুমের ঘটনায় লাখ লাখ দেশবাসীর মতো আমিও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে এটি প্রয়োগ করা হয়।

সমাজে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরির জন্য শেখ হাসিনার শাসনামলে গুমকে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে বাণীতে তিনি বলেন, নির্ভরযোগ্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো একযোগে প্রকাশ করেছে যে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত  সাত শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো গুম করেছে। এটি অত্যন্ত পীড়াদায়ক। আজ পর্যন্ত একটি ঘটনারও ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি।

তারেক রহমান বলেন, নিখোঁজ এসব মানুষ তাদের পরিবারের প্রাণপ্রিয় সদস্য ছিলেন। তাদের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। অদৃশ্য মানুষগুলো কোথায় আছে আমরা জানি না, তবে রেখে গিয়েছে মর্মান্তিক ও বেদনাবিধুর বাংলাদেশ, যেখানে আমাদের অর্জিত মানবাধিকার ও মূল্যবোধ লুণ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবসে আমরা রাজনৈতিক দর্শন, জাতি, ভাষা, নৃগোষ্ঠী, সংস্কৃতি, বর্ণ ইত্যাদিসহ রাষ্ট্রীয় সীমানাকে অতিক্রম করে গুম হওয়া মানুষগুলোর স্মরণে এবং সেই সঙ্গে তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর জন্য দিবসটি পালন করি। আমি এই মনুষ্যত্বহীন অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার জন্য পৃথিবীজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানাই।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh