মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
লন্ডনে প্রবাসী হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন গঠন কুলাউড়ায় ‘মা এক্সপ্রেস’ ক্যাম্পে চার শতাধিক গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসাসেবা বাব এল-মান্দেবে নিজেদের ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ভারতের আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের জন্য ১২০ মিলিয়ন চায় চেলসি! ২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের প্রচারে আন্তর্জাতিক মেলা করবে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি গণতান্ত্রিক দেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের এমন বৈঠক কাম্য নয় আর্সেনালে যাওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা বলছে ভিনিসিয়ুসের এজেন্সি ইয়েনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের বিরল পদক্ষেপ

হারিছ চৌধুরী তিন মাস পূর্বে লন্ডনে মারা গেছেন

কেবিসি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট : বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২
পলাতক বিএনপি নেতা আবুল হারিছ চৌধুরী  তিন মাস পূর্বে লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি করোনায় ভুগছিলেন। গত বছর আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থও হন। তবে করোনায় ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় আবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তিনি আগে থেকেই ব্লাড ক্যান্সার ও অন্যান্য জটিলতায় ভুগছিলেন। হারিছ চৌধুরীর চাচাতো ভাই সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি আশিক চৌধুরী এ তথ্য দেন। তাঁর মৃত্যু হয় প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে। পরিবারের সদস্যরা সংবাদটি এত দিন গোপন রেখেছিলেন।

গতকাল আশিক চৌধুরী ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ একটি স্ট্যাটাস দিলে হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুর বিষয়টি চাউর হয়ে যায়। ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লেখা ছিল- ‘ভাই বড় ধন, রক্তের বাঁধন’। হারিছের একটি ছবি যুক্ত করে আশিক এ স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসের নিচে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ‘ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন’ লিখে কমেন্ট দিতে থাকেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০১৮ সালে যাবজ্জীবন সাজা হয় হারিছ চৌধুরীর। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হারিছ চৌধুরীর সাত বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা হয়। এ ছাড়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় হারিছ চৌধুরী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর হারিছ চৌধুরী সস্ত্রীক তাঁর গ্রামের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দর্পনগরে আসেন। রাত ১২টার পর তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আতিক মোবাইল ফোনে জানান, ঢাকায় বিএনপি নেতাদের বাসভবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

কয়েক ঘণ্টা পর যৌথ বাহিনী হারিছের বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু তার আগেই তিনি সরে পড়েছিলেন। কিছুদিন সিলেটে এখানে-ওখানে লুকিয়ে থাকার পর ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে ভারতে চলে যান। ভারতের আসামে করিমগঞ্জ জেলার বদরপুরে তাঁর নানাবাড়ি। সেখানেই তিনি ওঠেন। সেখান থেকেই বিদেশে যাতায়াত করতেন। সূত্র জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যও দেখভাল করতেন ওখানে থেকেই।
হারিছ চৌধুরী স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে যুক্তরাজ্যে থাকতেন। তাঁর ছেলে জনি চৌধুরী পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। মেয়ে মুন্নু চৌধুরী ব্যারিস্টার।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh