শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
লন্ডনে প্রবাসী হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন গঠন কুলাউড়ায় ‘মা এক্সপ্রেস’ ক্যাম্পে চার শতাধিক গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসাসেবা বাব এল-মান্দেবে নিজেদের ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ভারতের আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের জন্য ১২০ মিলিয়ন চায় চেলসি! ২৭ আগস্ট বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের প্রচারে আন্তর্জাতিক মেলা করবে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি গণতান্ত্রিক দেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের এমন বৈঠক কাম্য নয় আর্সেনালে যাওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা বলছে ভিনিসিয়ুসের এজেন্সি ইয়েনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের বিরল পদক্ষেপ

সিলেট উইমেন চেম্বারের দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব সমাপ্ত

মো : মহি উদ্দিন
  • আপডেট : সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৫

 

বাঙালির রসনাব্যঞ্জনের প্রিয় একটি নাম পিঠা। পেট ভরুক আর না ভরুক মনমাতানো চোখ ধাঁধানো বাহারি পিঠা মনে করিয়ে দিল সিলেটে আবারও পিঠা উৎসবের মধ্য দিয়ে। প্রতি বারের মতো সিলেট উইমেন্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবারও আয়োজন করে দুইদিন ব্যাপী পিঠা উৎসবের। ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি সিলেট পুলিশ লাইন স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়
বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সিলেট পুলিশ লাইনস স্কুল মাঠে এই পিঠা উৎসবের সমাপনীতে ছিল আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন।
সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) লুবনা ইয়াসমিন শম্পার সভাপতিত্বে এবং বাচিক শিল্পী জান্নাতুল নাজনীন আশা ও সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও পুরস্কার বিতরণ করেন সিলেট বিসিক ইন্ডাস্ট্রির ডিজিএম সোহেল হাওলাদার। তিনি বলেন, আমরা পূর্বে আমাদের দাদী-নানী, মায়ের হাতের গরম ও সুস্বাদু নানারকম পিঠা খেয়েছি। বর্তমানে এগুলোর প্রচলন খুব একটা নেই। এ ধরনের পিঠা উৎসব আমাদের সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সহ-সভাপতি সৈয়দা রাবেয়া আক্তার রিয়া, পরিচালক সাল সাবিলা মাহবুব কান্তা, রাহিলা জেরিন কানন, তপতী রাণী দাস, ওয়াহিদা আখলাক, স্বপ্না বেগম, তাহেরা জামান প্রমুখ। এছাড়াও সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপভোগ করেন।
উৎসবে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন সিলেটের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপভোগ করতে সিলেটের উৎসবপ্রেমীদের উপস্থিতিতে পুলিশ লাইনস মাঠ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
উৎসবে অংশ নেয়া স্টলগুলোর মধ্যে প্রথমস্থান অধিকার করে সামায়রা পিঠা ঘর, দ্বিতীয় হয় ইয়াসমিন কিচেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে নুন্না নাহার পিঠামেলা।
চেম্বারের পিঠা উৎসবের স্টলগুলোতে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী চুঙ্গা পিঠাসহ আরো হরেক রকমের পিঠার স্বাদ নেন তরুণ-তরুণীরা। পিঠাগুলো হলো- তেল পিঠা, চই পিঠা, কুলি পিঠা, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ পিঠা, তিলু পিঠা, নারকেলের নারু পিঠা, দুধকলি পিঠা, নবাবী সেমাই পিঠা, জামাই সুহাগী পিঠা, ছাচকাটা পিঠা, বেনী পিঠা, বিবিখানা পিঠা, গোলাপ পিঠা ইত্যাদি।
পিঠা উৎসবে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাপনী বক্তব্য রাখেন সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি লুবনা ইয়াসমিন শম্পা তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাঙালির পিঠা উৎসবকে ছড়িয়ে দিতে ও আমাদের সন্তানদের ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই পিঠা মেলার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিবারের ন্যায় আমাদের এবারের আয়োজনেও দর্শণার্থীরা দারুণ সাড়া দিয়েছেন, যা দেখে আমরা মুগ্ধ। আমরা সকল দর্শণার্থী এবং স্টলগুলার মালিক ও প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতেও আমাদের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh