সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ফ্রান্সে দিনভর সংঘর্ষ! পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রণক্ষেত্র প্যারিসের রিপাবলিক চত্তর দেশে ফিরেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের প্রবাসী নেতা সাইফুল সিদ্দিকী ঢাকা-সৌদি রুটে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, বিপাকে ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী কুলাউড়ায় কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সিলেটে জাতীয় দাবা চ্যাম্পিয়নশীপের আঞ্চলিক পর্বের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ কুলাউড়ায় দূর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে মহড়া ও আলোচনা সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট লন্ডনে প্রবাসী হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন গঠন কুলাউড়ায় ‘মা এক্সপ্রেস’ ক্যাম্পে চার শতাধিক গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসাসেবা বাব এল-মান্দেবে নিজেদের ট্যাংকার সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ভারতের

দরিদ্রতা হার মানলো জিপিএ ৫ পাওয়া নিশাতের কাছে

মহি উদ্দিন রিপন
  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

কুলাউড়া উপজেলার লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে জিপিএ ৫ পেয়ে চমক দেখিয়েছে দরিদ্র পরিবারের সন্তান নিশাত আক্তার (১৮)। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী দরিদ্র বাবার পক্ষে নিশাতের পড়ালেখা চালানো সম্ভব হচ্ছিলো না ঠিক তখনই সে পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনি করিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং নিজের পড়ালেখা চালিয়েছে। তাঁর এই ফলাফলের পিছনে বাবা- মা ছাড়াও স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অনেক। দরিদ্রতার সাথে নানা লড়াই করে সে আজ সফল হয়েছে।

উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের গুতুমপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ হান্নান মিয়া ও গৃহিণী নাজমা বেগমের দম্পতির তিন মেয়ের মধ্যে নিশাত সবার বড়। নিশাত জানায়, প্রতিদিন সে গড়ে ৮-৯ ঘন্টা পড়ালেখা করতো। অভাব-অনটনের সংসারে টাকার জন্য কোনদিন প্রাইভেট পর্যন্তও পড়েনি। পরিবারের বাবা-মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় তাঁর এই সাফল্য এসেছে। প্রাইমারী থেকে কলেজ পর্যন্ত পড়াশোনা করতে তাকে অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। পড়াশোনা নিয়মিত চালিয়ে যাবার জন্য সে টিউশনি করেছে। টিউশনি থেকে যে টাকা পেত সেটা দিয়ে তার পড়ালেখা ও পরিবারের জীবিকা নির্বাহে বাবাকে সহযোগিতা করতো। বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে কলেজ থাকায় সে নিয়মিত পায়ে হেঁটে কলেজ যেত। নিশাত আরো জানায়, আমি এখন আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাই। সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য একটা কিছু করতে চাই। আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।

নিশাতের বাবা দিনমজুর হান্নান মিয়া জানান, দিনমজুরের কাজ করে কোনমতে সংসার চালাই। পরিবারের আর্থিক অবস্থা একদম শোচনীয়। পৈত্রিক সাড়ে তিন শতক জমির ওপর আমার ছোট্ট এই কুঁড়েঘরে তিন মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছি। যখন যে কাজ পাই তখন সেটা করি। আমার মেয়ের ইচ্ছে, সে আইন বিষয়ে পড়তে চায়। কিন্তু বাবা হিসেবে আমি তার উচ্চশিক্ষার জন্য এত টাকা খরচ করা সম্ভব হচ্ছে না।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh