সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের প্রচারে আন্তর্জাতিক মেলা করবে বিটিএমএ ও বিজিএমইএ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি গণতান্ত্রিক দেশে ত্রিবেদী-সার্জিও গরের এমন বৈঠক কাম্য নয় আর্সেনালে যাওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা বলছে ভিনিসিয়ুসের এজেন্সি ইয়েনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের বিরল পদক্ষেপ বেনজীরের অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে, সন্দেহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি সদস্য হলেন এমপি শকু মৌলভীবাজারের রাজনগরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরিশাসে খুলছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার! দ্রুত সমঝোতা স্বাক্ষর জাতীয় নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন আবেদ রাজা- কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি

দরিদ্রতা হার মানলো জিপিএ ৫ পাওয়া নিশাতের কাছে

মহি উদ্দিন রিপন
  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

কুলাউড়া উপজেলার লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে জিপিএ ৫ পেয়ে চমক দেখিয়েছে দরিদ্র পরিবারের সন্তান নিশাত আক্তার (১৮)। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী দরিদ্র বাবার পক্ষে নিশাতের পড়ালেখা চালানো সম্ভব হচ্ছিলো না ঠিক তখনই সে পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনি করিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং নিজের পড়ালেখা চালিয়েছে। তাঁর এই ফলাফলের পিছনে বাবা- মা ছাড়াও স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের ভূমিকা ছিল অনেক। দরিদ্রতার সাথে নানা লড়াই করে সে আজ সফল হয়েছে।

উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের গুতুমপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর মোঃ হান্নান মিয়া ও গৃহিণী নাজমা বেগমের দম্পতির তিন মেয়ের মধ্যে নিশাত সবার বড়। নিশাত জানায়, প্রতিদিন সে গড়ে ৮-৯ ঘন্টা পড়ালেখা করতো। অভাব-অনটনের সংসারে টাকার জন্য কোনদিন প্রাইভেট পর্যন্তও পড়েনি। পরিবারের বাবা-মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় তাঁর এই সাফল্য এসেছে। প্রাইমারী থেকে কলেজ পর্যন্ত পড়াশোনা করতে তাকে অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। পড়াশোনা নিয়মিত চালিয়ে যাবার জন্য সে টিউশনি করেছে। টিউশনি থেকে যে টাকা পেত সেটা দিয়ে তার পড়ালেখা ও পরিবারের জীবিকা নির্বাহে বাবাকে সহযোগিতা করতো। বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে কলেজ থাকায় সে নিয়মিত পায়ে হেঁটে কলেজ যেত। নিশাত আরো জানায়, আমি এখন আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাই। সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য একটা কিছু করতে চাই। আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।

নিশাতের বাবা দিনমজুর হান্নান মিয়া জানান, দিনমজুরের কাজ করে কোনমতে সংসার চালাই। পরিবারের আর্থিক অবস্থা একদম শোচনীয়। পৈত্রিক সাড়ে তিন শতক জমির ওপর আমার ছোট্ট এই কুঁড়েঘরে তিন মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছি। যখন যে কাজ পাই তখন সেটা করি। আমার মেয়ের ইচ্ছে, সে আইন বিষয়ে পড়তে চায়। কিন্তু বাবা হিসেবে আমি তার উচ্চশিক্ষার জন্য এত টাকা খরচ করা সম্ভব হচ্ছে না।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh