বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
এক সপ্তাহে অর্থনীতির ক্ষতি ৮৪ হাজার কোটি টাকা কারফিউ বাড়ল আরও ২ দিন, আজ খুলছে সরকারি অফিস সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে: আপিল বিভাগ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভকারীদের হামলায় সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আহত, পিএস নিহত সারা দেশে কারফিউ জারি কুলাউড়াসহ তিন উপজেলার দীর্ঘস্থায়ী বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা কুলাউড়ায় বন্যার্তদের মধ্যে প্রবাসী পরিষদ রিয়াদের আর্থিক অনুদান প্রদান কুলাউড়ার গরিবের ডাক্তার খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান চৌধুরীর ইন্তেকাল কুলাউড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী

কুলাউড়ায় দ্বিতীয় দফায় বন্যার্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ

মহি উদ্দিন রিপন
  • আপডেট : শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ভারী ভর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে দ্বিতীয় দফায় ত্রাণ বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন ।
৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়ন এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহি উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা শতাধিক মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

বৃহস্পতিবার ভুকশিমইল ইউনিয়নের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে ঘাটেরবাজার শেডঘর আশ্রয়কেন্দ্রে ৩০ টি, সাদিপুর মাদ্রাসায় ৫০ টি
ও কাইরচক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০ টিসহ মোট ১০০ টি পরিবারের মাঝে (চাল, তেল, চিনি, ডাল, লবণ, মসলা) ত্রাণ পৌঁছে দেন।

এসময় ভুকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির , কুলাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ শাকিল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মহি উদ্দিন রিপনসহ স্থানীয় ইউপি সদস্য শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৭ জুন থেকে ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পৌরসভাসহ ৯ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। বিশেষ করে ভূকশিমইল, কাদিপুর, জয়চন্ডী ইউনিয়নের অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় এখনো যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শিমুল আলী বলেন, ইতিমধ্যে সরকারিভাবে ১৮০ মে: টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে ১৮ হাজার পরিবারের মাঝে। প্রায় ১৬ হাজার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে। শুকনো খাবার ১৫০০ প্যাকেট বরাদ্দ মিলেছে। ৫০০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। ২ লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়ে প্যাকেটজাত শুকনো খাবার ৬২০ টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৩০ প্যাকেট শিশু খাদ্য, ১৫০ প্যাকেট গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যা পরিস্থিতি আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি৷

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মহি উদ্দিন জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের নিয়ে সার্বক্ষনিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। বন্যা শুরুর দিন থেকে বিভিন্ন বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও গ্রাম পর্যায়েও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh