রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কুলাউড়ার গরিবের ডাক্তার খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান চৌধুরীর ইন্তেকাল কুলাউড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী দ্বিতীয়বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ কুলাউড়ার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ কুলাউড়ায় নতুন এসিল্যান্ড শাহ জহুরুল হোসেনের যোগদান কুলাউড়া ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন দক্ষিণবঙ্গে কেন্দ্রীয় কাজী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল হককে সম্মাননা বন্যার ২১ দিনে কুলাউড়া পৌরসভায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৫০ কোটি টাকা কুলাউড়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত কুলাউড়ায় দ্বিতীয় দফায় বন্যার্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ ২১ জুলাই দ্বিপক্ষীয় সফরে স্পেনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দূর্ভোগ চরমে

মহি উদ্দিন রিপন
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২

সিলেটের নগরীর বন্যা কবলিত বেশীরভাগ এলাকায় গত সোমবার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতহীনতা পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। অনেকের বাসায় পানি না উঠলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটছে। সময় যত গড়াচ্ছে বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

সিলেট নগরীর বাসা বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় বন্যা কবলিত বেশিরভাগ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির।
তিনি বলেন, কিছু জায়গায় সাব স্টেশনের যন্ত্রপাতি পানিতে তলিয়ে গেছে। আবার অনেক জায়গার বাসা বাড়ির মিটার পর্যন্ত ডুবে গেছে। একারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। তারপরও আমরা সরবরাহ স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে কিছু এলাকায়স্বাভাবিক হয়ে গেছে। পানি কমলে পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় নগরের ১০ নম্বর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের শেখঘাট, কলাপাড়া, ঘাষিটুলা, বেতের বাজার, কানিশাইল সহ  অন্তত ২০টি পাড়া নদীর উপচে পানি ঢুকেছে ওই জনপদে। কয়েক হাজার বাসা-বাড়ি তলিয়ে গেছে। ওই এলাকায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি। ঘাষিটুলা ও বেতের বাজার থেকে শতাধিক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।

স্বল্প আয়ের মানুষ বিশেষ করে দিনমজুরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনাহারে-অর্ধাহারে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার পানি না বাড়লেও কমার কোন লক্ষন নেই। মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু আশ্রয়কেন্দ্র কম। এতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রেও জায়গা হবে না। আর কেন্দ্রে যারা আছেন তারা শুকনো খাবার খাচ্ছেন।
এ ছাড়াও উপশহর, কালিঘাট, তালতলার অবস্থা আরও নাজুক এ অবস্থায় অনেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন, এ ভাবে পানি বাড়তে থাকলে তাদের দূর্ভোগ আরও চরম আকারে ধারণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় এখনো অনেক বস্তি এলাকায় কোমর পানি। এখন পর্যন্ত কোনো সহযোগিতা পাননি বলে তারা জানান।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ | কেবিসি নিউজ ফ্রান্স
Theme Developed BY NewsFresh